আমাদের সম্পর্কে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল,ক্লিনিক,ডায়াগনোস্টিক সেন্টার,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,উকিলদের জন্য এডভোকেসি এবং করোনা পেনডিমিকের জন্য অনলাইন কেনাকাটা নিয়ে কাজ করছে আনন্দসফটবিডি।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর ছাত্র-ছাত্রীদের রেজাল্ট তৈরী ও বেতন নেয়া একটি অত্যন্ত জটিল এবং ঝামেলার কাজ, সেক্ষেত্রে অটেমেশনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি খুব সহজেই এই কাজগুলি করতে পারছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এ প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থাপনা বিশাল কাজের বোঝাকে নির্ভুলভাবে স্বল্প সময়ে সমাধান করে প্রতিদিন ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যায় সাফল্যের দিকে। যেকোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্রয়-বিক্রয়, লেন-দেন,ষ্টক বা মজুত, হিসাব-নিকাশ,নিয়োগ,বেতন,আয়-ব্যায়ের হিসাব ইত্যাদি সকল কাজ নির্ভুলভাবে স্বল্প সময়ে সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা য়ায়।আধুনিক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা অনেক বড় একটি বিষয়। এক্ষেত্রে সার্বক্ষণিক প্রতিটি বিষয়ের উপর মনিটিরিং এবং সঠিক তথ্য তাৎক্ষনিক প্রাপ্তি জরুরী। বিভিন্ন রকম পরীক্ষা-নীরিক্ষা,রির্পোট,দৈনিক,সাপ্তাহিক,মাসিক আয়-ব্যয় এর হিসাব,লাভ-লোকসান ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় তথা একজন রোগী তার ভর্তির সময় থেকে পরবর্তীতে আসা পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে অটোমেশন করা থাকলে শতভাগ সুবিধা পাওয়া যায়। এভাবে প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সফটওয়্যার উন্নয়ন করে অটোমেশন পদ্ধতি চালু করার ক্ষেত্রে আনন্দসফটবিডি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

আমাদের সেবাসমূহ

আপনি আমাদের উপর আস্থা রাখতে পারেন

সফটওয়্যার তৈরি

যেকোন ধরণের কাস্টমাইজ সফটওয়্যার তৈরী করা হয়

ওয়েব ডিজাইন

যেকোন ধরণের কাস্টমাইজ এবং ডায়নামিক ওয়েবসাইট তৈরী করা হয়

প্রশিক্ষণ

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ করানো এবং সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়

এসইও

আপনার ওয়েবসাইট এসইও এর মাধ্যমে বিস্তৃতির নিশ্চয়তা

 
আমাদের পণ্যসমূহ

আমরা আপনার তথ্যের জন্য সর্বোত্তম নিরাপত্তা প্রদান করতে পারি

বিজনেস সলিউশন

১) সকল পণ্যের ক্রয় এবং বিক্রয়ের হিসাব দৈনিক/সাপ্তাহিক/মাসিক ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাওয়া যাবে।


২) ক্রয় এবং বিক্রয়কৃত পণ্যের মজুত স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ/বিয়োগ হওয়া।
৩) পণ্য বিক্রয়ের সময় পণ্যের মজুত এবং মেয়াদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিক্রেতাকে দেখানো।
৪) ক্রেতার চাহিদা মোতাবেক ঐ পণ্যটি আছে কি-না তা এক সেকেন্ডের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বের হওয়া।
৫) পণ্যের নাম,বিক্রয়মূল্য,ভ্যাট,মোট টাকার পরিমাণ ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ/বিয়োগ হয়ে ক্রেতাকে মানি রিসিপ্ট প্রদান।
৬) মাসিক আয়, ব্যয় এবং মুনাফার প্রতিবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বের হওয়া।
৭) ক্রয় মূল্য দেখার জন্য ফাইল ঘাটাঘাটি করার প্রয়োজন নেই।
৮) বর্তমান স্টক দেখার জন্য পন্য গুণে দেখার প্রয়োজন নেই।
৯) মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যের তালিকা এবং পণ্য বিক্রয়ের সময় মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তথ্য প্রদান।
১০) ওয়ারেন্টি সেবা প্রদান সংক্রান্ত বিষয় পরিচালনা করা।
১১) দৈনিক, মাসিক আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন। সর্বোপরি সকল বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় থাকা,নির্ভুলভাবে এবং দ্রæত গতিতে কাজ করার সুবিধা।

এডুকেশন

১) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক প্রোফাইল তেরি করা যাবে। যেখানে প্রত্যেকের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

২) যে কোনো সময়ে যে কোন শিক্ষক বা শিক্ষার্থী এর তথ্য জানার জন্য ফাইল/খাতা খুঁজতে হবে না । এক সেকেন্ডের মধ্যে তথ্য পাওয়া যাবে।
৩) প্রত্যেকের জন্য থাকবে একটি স্বতন্ত্র আইডি নাম্বার।
৪) স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে টিউশন ফি গ্রহন।
৫) প্রতি মাসে কত জন টিউশন ফি প্রদান করল, কত জন প্রদান করল না তার পৃথক পৃথক তালিকা পাওয়া যাবে।
৬) দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক আয়-ব্যয়ের তথ্য পাওয়া যাবে।
৭) স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে হাজিরা গ্রহন। হাজিরা খাতা খুঁজে হাজিরা হিসাবের প্রয়োজন নেই।
৮) গ্রেডিং পদ্ধতিতে অটোমেটিক ভাবে রেজাল্ট শীট বা প্রগ্রেস রির্পোট প্রদান করা যাবে।
৯) অটোমেটিকভাবে টেবুলেশন শীট তৈরি হবে।অটোমেটিকভাবে পাশ/ফেলের লিস্ট তেরি হবে ।
১০) ছাত্র-ছাত্রীদের লি¯ট পাওয়া যাবে।
১১) সায়েন্স, আর্টস,কমার্স আলাদা আলাদা ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের লিস্ট পাওয়া যাবে।
১২) মোট ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা, নতুন ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদের সংখ্যা ইত্যাদি তথ্য পাওয়া যাবে অটোমেটিক ভাবে।
সর্বোপরি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালিত হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যার ফলে প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠবে ১টি ফাইললেস প্রতিষ্ঠান।

প্রেসক্রিপশন সলিউশন

উন্নত বিশ্বের দেশগুলিতে চিকিৎসা পদ্ধতি পরিচালিত হয় কম্পিউটারাইজড পদ্ধিতে। সেখানকার চিকিৎসকগণ কে কোন প্রকার

ঔষধের নাম মনে রাখার প্রয়োজন পড়ে না।
১) প্রত্যেক রোগীর জন্য ১টি পৃথক প্রোফাইল বা ইউনিক আইডি যা দিয়ে যে কোন সময়ে সেই রোগীর সম্পর্কে জানা যাবে। রোগ এবং কি ঔষধ দেওয়া হয়েছিল তার বিবরণ পাওয়া যাবে।
২) প্রেসক্রিপশন হারিয়ে গেলে বা আনতে মনে না থাকলেও এক সেকেন্ডের মধ্যে সেই রোগীর সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। খাতা/ফাইল/রেজিষ্ট্রার খুঁজতে হবে না।
৩) রোগ অনুযায়ী ঔষধের তথ্য পাওয়া যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। কোন ডিজিজের ক্ষেত্রে কি ঔষধ দিতে হবে বা কয়টি করে কতদিন খেতে হবে তা মনে রাখার প্রয়োজন নেই Ñ এ সকল বিষয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে অটোমেটিকভাবে পরিচালিত হবে।
৪) এলাকা ভিত্তিক রোগী বা রোগ সম্পর্কে পরিসংখ্যান করা যাবে অতি দ্রæত সময়ে।

ইনডেক্স অফ মেডিকেল প্র্যাকটিস

উন্নত বিশ্বের দেশগুলিতে চিকিৎসা পদ্ধতি পরিচালিত হয় কম্পিউটারাইজড পদ্ধিতে। সেখানকার চিকিৎসকগণ কে কোন প্রকার

ঔষধের নাম মনে রাখার প্রয়োজন পড়ে না। শুধুমাত্র জেনেরিক নামটি জানা থাকলেই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ট্রেড নেমটি খুজে পাওয়া যায়। সেই সুবিধাটির কথা চিন্তা করে মেডিকেল শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকগণ এর জন্য আনন্দ মাল্টিমিডিয়া নিয়ে এলো ইনডেক্স অফ মেডিকেল প্রাকটিস নামক ১টি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে নি¤œ লিখিত সুবিধাগুলি পাওয়া যাবে :-
১) জেনেরিক নেম লেখা মাত্র পাওয়া যাবে কোন কোন কোম্পানি তা কি নামে তৈরি করে তার তালিকা।
২) ট্রেড নেম লেখা মাত্র পাওয়া যাবে তার জেনেরিক নেম এবং তা খাওয়া বা ব্যবহার করার নিয়ম এবং সেই সংক্রান্ত সকল বিষয়।
৩) যে কোন সময় নতুন ঔষধের নাম সংযোজন/ বিয়োজন/ পরিবর্তন বা মুছা যাবে।
৪) ঔষধের জেনেরিক / ট্রেড নেম লিখলে জানা যাবে তা কয়টি করে কিভাবে এবং কতদিন খেতে / ব্যবহার করতে হবে।

হসপিটাল অটোমেশন

১) একটি রোগী ভর্তি হওয়া থেকে ডিসচার্জ হওয়া পর্যন্ত সকল পদ্ধতি পরিচালিত হবে অটোমেটিক পদ্ধতিতে।

কে কত টাকা প্রদান করল বা টাকা বাকী থাকলে তা পাওয়া যাবে অটোমেটিক ভাবে।
২) হসপিটালের সকল সেবা সংক্রান্ত মূল্য তালিকা পাওয়া যাবে অটোমেটিকভাবে। মনে রাখা/খুঁজা/ভুল তথ্য দেওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। আউটডোর এবং ইনডোর সংক্রান্ত সকল তথ্য থাকবে।
৩) কেবিন/ওয়ার্ডের সীট খালি আছে কিনা, কোন ডাক্তার কখন বসবেন, কখন ওটি হবে ইত্যাদি সকল তথ্য পাওয়া যাবে সফটওয়্যারের মাধ্যমে।
৪) দৈনিক/সাপÍাহিক/মাসিক আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন স্বয়ক্রিয় ভাবে তৈরি হবে।
৫) কোন বিভাগ থেকে কত আয়/ব্যয় হচ্ছে তাও পাওয়া যাবে পৃথক পৃথক ভাবে।
৬) কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন/বোনাস/ইনক্রিমেন্ট ইত্যাদি তৈরি হবে অটোমেটিকভাবে। মাস শেষে ফাইলপত্র/বড় বড় খাতা তৈরি করতে হবে না।
৭) রোগীদের তথ্য রাখার জন্য আলাদা ভাবে রেকর্ড কিপিং শাখা রাখার প্রয়োজন থাকবে না। ভর্তির সময় থেকে ছাড়পত্র পর্যন্ত সকল কিছু ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হওয়ায় রোগীর তথ্য থাকবে সুরক্ষিত।
সর্বোপরি ১টি হাসপাতাল বা ক্লিনিক হয়ে উঠবে ফাইলবিহীন প্রতিষ্ঠানে। যে কোন সময় যে কোন তথ্য পাওয়া যাবে এক সেকেন্ডের মধ্যে ১টি মাত্র ক্লিক এর সাহায্যে।

ডায়াগনস্টিক সেন্টার

১) রি-এজেন্টের মজুত/কতটুকু ব্যবহার হচ্ছে ইত্যাদি সকল তথ্য পাওয়া যাবে এক সেকেন্ডের মধ্যে। খাতা পত্র খুঁজা/স্টক

দেখার প্রয়োজন পড়বে না।
২) রিশিপশন থেকেই জানা যাবে কোন রিপোর্ট তৈরি হয়েছে কিনা বা ডেলীভারী হয়েছে কিনা ।
৩) সকল রোগদের পৃথক পৃথক প্রোফাইল। রিপোর্ট হারিয়ে গেলেও পাওয়া যাবে পরীক্ষা নিরীক্ষার সকল তথ্য।
৪) আয় ব্যয়ের হিসাব।
৫) কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন/বোনাস/ইনক্রিমেন্ট ইত্যাদি তৈরি হবে অটোমেটিকভাবে। মাস শেষে ফাইলপত্র/বড় বড় খাতা তৈরি করতে হবে না।
৬) সুরক্ষিত রেকর্ড কিপিং। রোগীদের তথ্য রাখার জন্য আলাদা ভাবে রেকর্ড কিপিং শাখা রাখার প্রয়োজন থাকবে না। ভর্তির সময় থেকে ছাড়পত্র পর্যন্ত সকল কিছু ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হওয়ায় রোগীর তথ্য থাকবে সুরক্ষিত।

এন.জি.ও

১) কর্মকর্তা / কর্মচারীদের সকল তথ্য।
২) সেলারী শীট ।
৩) আয় ব্যয়ের তথ্য।


৪) কিস্তি গ্রহণ।
৫) সকল সদস্যদের ছবি সহ তথ্য।
৬) কিস্তি সংক্রান্ত ডিফল্টার লিস্ট। কার কাছে কত পাওনা আছে তার তালিকা।

হাউজিং অটোমেশন

১) কর্মকর্তা / কর্মচারীদের সকল তথ্য।
২) সেলারী শীট ।
৩) আয় ব্যয়ের তথ্য।


৪) সকল ক্রেতাদের ছবি সহ ব্যক্তিগত তথ্য।
৫) কিস্তি গ্রহণ এবং মূল টাকা থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে কিস্তির টাকা বিয়োজন হওয়া।
৬) ডিফল্টার লিস্ট। কার কাছে কত পাওনা আছে তার তালিকা।